মেনু নির্বাচন করুন

নারহট্ট বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

হিমালয় কন্যা করতোয়ার পশ্চিমতটে বগুড়া জেলার কাহালূ উপজেলার বগুড়া সান্তাহার মহাসড়কের পার্শ্বে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ গ্রাম “নারহট্ট”। উনিশ শতকের প্রথমার্দ্ধে ইংরেজ শাসন আমলে ময়মনসিংহের গৌরীপুর , গোলকপুর বাজিত পুর কালিকাপুরের বিখ্যাত জমিদারশ্রী উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী ও নয় আনা ছয় আনা অংশের শরিকগন এষ্টেট পরিচালনা ও খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে নারহট্ট গ্রামে কাচারী বাড়ী প্রতিষ্ঠাকরেন । কথিত আছে পৌষের প্রথম প্রহরে জমিদার অথবা তার প্রতিনিধি কাচারী বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে রাজস্ব সংগ্রহ নজরানা গ্রহন স্থানীয় অভার অভিযোগের নিম্পত্তি করতেন। এ উপলক্ষে আযোজিত হত পূন্যাহ মেলা । অসংখ্য নরনারীর পদচারনা উচ্চকিত কন্ঠস্বরে ও সুরেলা বদ্য ধ্বনীতে মুখরিত হয়ে উঠত গণমেলা। সুদৃশ্য পসরা সাজেয়ে মন্ডা মিঠাই কদমা খাজা মাটির খেললা পুতুল আর মন ভোলানো বাহারী সামগ্রী নিয়ে বসতো অস্থায়ী  দোকান পাঠ নরনারীর উপচে পড়া ভিড়ে যেন হাট বসতো তাই  গ্রামটির নাম হয়েছিল নারহট্ট মানুষের হাট। কালের প্রবাহে তা একদিন নারহট্ট নামেই বিশেষ পরিচিতি লাভ করে ।

নারহট্ট গ্রামের তথা পার্শ্ববর্তী এলাকায় অধিকাংশ মানুষই হতদরিদ্র নিববৃত্ত এ অশিক্ষিত । বৃটিশ শাসনকালে সুসলিম জন গোষ্ঠি স্বভাবতই আধুনিক শিক্ষা বিশেষত: ইংরেজী শিক্ষা গ্রহনেআগ্রহ ছিল না । শিক্ষা ও উন্নয়নের মাধ্যমে জীবনকে বিকশিত করার যে সংগ্রাম তার প্রযোজনীয়তা ধীরেধীরে উপলব্ধি করলেও অর্থিক দৃরবস্থা ও অনুকুল প্রতিষ্ঠানিক সুবিধার অভাবে তারা যুগোপযোগী আধুনিক শিক্ষা লাভের সুযোগ হতে বঞ্চিত ছিল । এমন পটভুমিতে জমিদার , স্থানীয় প্রতিনিধি ও শিক্ষানুরাগী জনগনের সার্বিক সহযোগীতায় নারহট্ট গ্রামে ১৯০৮ সালে একটি মাইনর ইংলিশ স্খুল প্রতিষ্ঠিত হয় । জমিদার পরিবারের আত্নীয় ও বগুড়ার তৎকালীন  ডিপুটি কালেক্টর শ্রী যতিন্দ্রনাথমিত্র ( জেএসমিত্র)০‌১/০১/১৯০৮ সালে বিদ্যালয়টি  আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ধোধন করেন । শরুতে এর নাম ছিল নারহট্ট জেএন এমই স্কুল । সময়ের বিবর্ত্তনে ও উন্নয়নের সোপান পেরিয়ে আজ নারহট্ট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় নামে সুখ্যাতি ও পরিচিত লাভ করেছে ।

নারহট্ট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান ইতিহাস তিনটি সময়কাল অতিক্রম করেছে: বৃটিশ ভারত ( ১৯০৮ ১৯৪৭)পাকিস্তান(১৯৪৮-১৯৪৭)ও স্বাধীনতা পরবর্তী ( ১৯৭১ -২০১২) সময় কাল।

 

বৃটিশ আমলে নারহট্ট এলাকার স্থানীয় জনগণের দাবী ও আগ্রহে শ্রী অজিত কুমার রায় ও পুর্নচন্দ্র ঘোষ এর উৎসাহে মাত্র ১২৯ জন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শরু করে প্রতিষ্ঠানটি । লোহার রেলের ফ্রেমে টিনের ছাউনি দিয়ে নির্মিত হয় বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনী কক্ষ । শত বর্ষের ধুলি মেখে আজও ভবনটি সেই স্মৃতিকে বহন করে চলেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক গণই জমিদার গণের সহযোগীতায় নিয়োগ প্রাপ্ত ছিলেন । তারা স্বেচ্ছায় শিক্ষাব্রতী হিসাবে বিনা পারিশ্রমিকে দায়িত্ব পালন করতেন ফলে তাদের অবস্থান কালও  ছিল সংক্ষিপ্ত , সল্প মেয়াদী ।

 

ইতিহাসের পাতা থেকে তৎকালীন প্রধান মিক্ষক মন্ডলীর অবস্থান কালের একটি ধারাবাহিক কালপঞ্জী পাওয়া যায় । প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকগণের মধ্যে ছিলেন এ,এস বায় ( ১৬/৮/১৯০৯ - ০৫/১২/১৯১০ ) এস, এস তরফদার (১২/১২/১৯১০ -০১/০২/১৯১১ ) জেইউ আহম্মেদ (০৯/০২/১৯১১)-০১/০২/১৯১২) এইচ, এ, দও (০৪/০১/১৯১৩)-১৪/০১/১৯১৩)কোকন চনদ্র দও (২৮/১১/১৯১৩)-(১৬/০৫/১৯১৪) জে, বি রায় (০৬/০১/১৯১৫-২৫/১১/১৯১৫)জে,ইউ আহম্মেদ (০৭/০১/১৯১৬-০১/০১১/৯১৭)কোকন চন্দ্র দত্ত (০৪/০২/১৯১৭-১০/০১/১৯১৯এস, ইউ মিয়াজান (১৫/০১/১৯১৯-০১/০২/১৯১৯)বি,সি ,দত্ত (০৩/০২/১৯৯১৯-০৫/০৭/১৯২১)বি,সি চৌধুরী (২৩/১২/১৯২১-১০/০২/১৯২৩)প্রমথ নাথ নিয়োগী (১৯/০৩/১৯২৩-১২/১২/১৯২৫)বছির উদ্দিন আকন্দ ( ভারপ্রাপ্ত )(০৩/০২/১৯২৬-১৫/০৮/১৯২৮)মিয়াজান আলী (১৬/০৮/১৯২৮-৩১/১২/১৯৩৬) .

বৃটিশ শাসন কালে সমাপ্তি লগ্নে যখন সমগ্র  ভারতের স্বাধীনতা ও স্বদেশী আন্দোলনের জোয়ারে ভাসছে , সেই পট ভুমিতে মুরইল গ্রামের বাবু শুরু দয়াল চাকী ( ০১/০১/১৯৩৭-৩০/০৬/১৯৬২) প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বগ্রহণ করেন । তিনি অনারম্বরও সাধাসিধেজীবন যাপন করতেন । শিক্ষ প্রসারে তিনি কিংবদন্তীর নায়ক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন । শুধু নিজধর্মই নয়  সকল ধর্মের প্রতি তার ছিল গভীর শ্রদ্ধা এ বিশ্বাস । তিনি সাবলিল ভাবে পবিত্র কোরান পাঠ ও ইংরেজীতে তরজমা করতে পারতেন । সৎ জীবন যাপনও সদা সত্য কথা বলা ছিল তার সহজাত স্বভাব। তিনি অব্যাহত ভাবে প্রায় পচিঁশ বৎসর সাফল্য ও গৌরবে তার দায়িত্ব পালন করেন । ১৯৭১ সালে তিনি দেহ ত্যাগ করেন । বিদ্যালয়ের ইতিহাসে  তার নাম চিরকাল সোনালী অক্ষরে লেখা থাকবে।

বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতির আর এক অন্যতম রূপকার জনাব মো: আছমত আলী ( ১৫/০৭/১৯৬২-১৪/০৭/১৯৭৭) প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করেন । তিনি অপূর্ব সাংগঠনিক দক্ষতা ও শ্রমে স্থানিয় জনগনকে সংগঠিত এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলেন। তখন প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রায় যারা সহযোগীতার হাত সম্প্রসারিত করেছিলেন তাদের সবার নাম লিখে হয়তো নাম লিখেশেষ করা যাবে না।  তাই সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে সবিনয়ে কিছু নাম উল্লেখ না করলে হয়ত এই ইতিহাস অসম্পূর্ন থেকে যাবে। তারা হলেন মরহুম কুদরত উদ্দিন আহম্মদ , মরহুম মৃয়াজ্জেম হোসেন আকন্দ , মরহুম বছির উদ্দিন আহম্মদ , মরহুম নবীর উদ্দিন সরদার , মরহুম কসির উদ্দিন আহম্মদ , মরহুম কাবেজ উদ্দিন মন্ডল , মরহুম আমির উদ্দিন সরদার , মরহুম তমির উদ্দিন সরদার , মরহুম হারুনুর রশিদ সরদার , মরহুম মিছের আলী সরদার , মরহুম আজিম উদ্দিন সরদার , মরহুম বাহা উদ্দিন সরদার , মরহুম আব্দুল গণি সরদার , মরহুম রত্তি ফকির , মরহুম রিয়াজ উদ্দিন মন্ডল , মরহুম রহিম উদ্দিন , মরহুম হালিম উদ্দিন  ফকির , মারহুম কেরামত আলী , মরহুম আছামুদ্দিন প্রামানিক , মরহুম এস এম মনছুর রহমান মরহুম আব্দুল আজিজ ( চাঁন ) ও আরও অনেক দানশীলও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিগণ।

বিদ্যালয় অগ্রযাত্রায় এস এস আফতাব আলী অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন ( ০১/০৬/১৯৬৫-৩০/০৬/১৯৬৫) তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বপালন করেন । তার অসামান্য দক্ষতা ও কর্ম কুশলতা চিরকাল অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এর পর পর্যায় ক্রমে মো: শফিউদ্দীন ( ০১/০১/১৯৬৫-১৪/০৭/১৯৬৫) আছমত আলী (১৫/০৭/১৯৬৫-০৩/০৭/১৯৭৭) দায়িত্ব পালন করেন। আছমত আলী কাহালূ উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করলে স্থানীয় জনগন ও কার্যনিবাহী পরিষদের অনুরোধে বিমল কুমার সরকার ০৪/০৭/১৯৭৭-৩০১১/২০০৩ প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করেন । তিনি প্রায় ২৬ বৎসর কাল প্রধান শিক্ষাপদে কর্মরত ছিলেন।তার নিরলস প্রচেষ্টা ও দক্ষ পরিচালনায় বিদ্যালয়ের ২টি পাকা দ্বিতল একডেমিক ভবন  বিজ্ঞানাগার নির্মান, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষাও এস এস সি ভোকেশনাল কোর্স চালু কৃষি  ও কম্পিউটার বিষয় অনুমোদন করা সম্ভব  হয় । ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বোর্ডে এস এস সি পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের কৃতিছাত্র ডি এম আতিকুর রহমান সন্মিলিত মেধা তালিকায় সমাজ বিজ্ঞানে ৩য় স্থান লাভ করে ।  বর্তমানে ২৮/১০/২০০৭সাল হতে মো: জয়নুল আবেদীন খান ( ফিরোজ) প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে ও প্রশাসনিক নেকদৃষ্টি ,শক্তিসালী ম্যানেজিং কমিটি ও  এলাকা বাসীর  সহযোগিতায় ভোকেশনাল ভবন সাংস্কার করে পাঠপোযোগী করন , বিদ্যালয়ের বিশাল বান্ডারী ওয়াল  নির্মান, মেইন গেইট নির্মান, পাঠাগার তৈরী ,মহিলাদের ল্যাট্রিন  স্থাপন, পুরাতন বিল্ডিং সংস্কার করন, (দৈর্ঘ্য ৭২ ফিট প্রস্ত ৩২ ফিট) অডিটোরিয়াম হলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন সহ বিদ্যালয় কে নতুন সাজে সুসজ্জিত করন তথা জিজিটাল বাংলদেশ গড়ার লক্ষে কম্পিউটার প্রযুক্তির বহুমূখী ব্যবহার ও উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহন করা হচ্ছে ।

 

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন বরেন্য শিক্ষক মন্ডলীর মধ্যে যাদের কথা স্বরনীয় হয়ে আছে তারা হলেন স্বগীয় বাবু গুরুদয়াল চাকী , স্বর্গীয় রামদাস পন্ডীত , স্বগীয় ক্ষিতিশ চন্দ্র মজুমদার , স্বগীয় চিত্তরঞ্জন দেবনাথ , মরহুম রমজানআলী ,মরহুম হোসেন আলী , বাবু সুরেশ চন্দ্র পাল , সাদেক আলী ,ছামসুল হুদা , গোলাম রহমান , স্বপন কুমার কুন্ডু , আব্দুল আজিজ ,উৎপল দাস , রফিকুল ইসলাম , মো: ইয়াদ আলী , মো: আবু তাহের আকন্দ ও হাবিবুর রহমান, মো: আজাহার আলী ও মো: শাহজাহান আলী ।

 

অকৃপন ভুমি দানে ও শিক্ষা নুরাগদের সহ যোগিতায় বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি তরান্বিত হয়েছে তারা হলেন , স্বগীয় গোসাইচরণ বৈরাগী , স্বগীয় শুনধন সরকার , স্বর্গীয় গঙ্গাধর সরকার , মরহুম হাতেম আলী , মরহুম রত্তি ফকির , মরহুম আনিছার রহমান , মরহুম আব্দুল লতিফ , মরহুম আব্দুল আজিজ , মরহুম তৌফিকুর রহমান , মরহুম কছির উদ্দিন আহম্মদ , মরহুম কবেজ উদ্দিন  , মরহুম সিহাব উদ্দিন প্রাং , এস ,এ, গণি ,রাশিদা খাতুনও আব্দুল করিম তালুকদার. মো: মন্জুরুল আলম (পান্না) .মো: আয়নুল কবির ( সজীব ) মো: সাইফুল ইসলাম ও বর্তমান সভাপতি মো: আব্দুল মোমিন ।    

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
জয়নুল আবেদীন খান (ফিরোজ) নং০১৭১৮ ১৬৭৮১২ jainul01718@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

জেনারেল শাখা

শ্রেণী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

৬ষ্ঠ

৩০

৫১

৮১

৭ম

৪৫

৩৫

৮০

৮ম

৪৬

৩৬

৮২

৯ম

১৬

২৩

৩৯

১০ম

১৬

১৩

২৯

ভোকেশনাল শাখা

৯ম

জেমে ৩০

বিমে ৩০

ড্রেস ০৮

 

 

২২

৩০

৩০

৩০

 

৯০

১০ম

জেমে ২৩

বিমে২৪

ড্রেস ০২

 

 

১৯

২৩

২৪

২১

৬৮

৯০.২০%শনাল শাখা ৭৭.৪২%

ক্রমিক নং

সদস্যদের নাম

পদবী

মোবাইল নং

মো: আব্দুল মোমিন

সভাপতি

০১৭১৩৭৩৫২৬২

মো: আব্দুল আজিজ

সদস্য

০১৯২১৬২৪৫০৪

মো: জামিল মন্ডল

সদস্য

০১৭২১২১২৭২০

মো:জহুরুল  ইসলাম

সদস্য

০১৭২১৭৯২৭৯১

মো: আব্দুল মজিদ সরকার

সদস্য

১৭৪৮৬১৫৬৩১

মোছা: সিদ্দিকা তহমিনা

সদস্য

০১৭৪৩৬৩৪৪১২

মো: আবু রেজা

শিক্ষক প্রতিনিধি

০১৭১৩৬২০৬৭৮

মো: রশেদ মিয়া

শিক্ষক প্রতিনিধি

০১৭১৮৯৩৫৬১৬

মোছা: রাইহানা খাতুন

মহিলা শিক্ষক প্রতি

০১৭২৯৫৭৬২৯৭

১০

মো: সাইফুল ইসলাম

কো-অপ্ট বিদ্যোৎসাহী

০১৭১২৬৮৩৫৩৯

১১

মো: জয়নুল আবেদীন খান

প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব

০১৭১৮১৬৭৮১২

জেনারেল শাখা

সাল

অংশগ্রহণ কারীর সংখ্যা

উত্তীর্নের সংখ্যা

পাশের হার

২০০৭

৩৪

৩৩

৯৭.০৬%

২০০৮

৩১

২৩

৭৪.৯৯%

২০০৯

৪৩

২৫

৫৮.১৪%

২০১০

৪৯

৩৮

৭৭.৫৫%

২০১১

৪১

৩৭

৯০.২০%

ভোকেশনাল শাখা

২০০৭

৮২

২৮

৩৪.১৫%

২০০৮

৮৮

৫৯

৬৭.০৫%

২০০৯

৩৭

১৯

৫১.৩৫%

২০১০

৪২

৪০

৯৫.২৯%

২০১১

৩১

২৪

৭৭.৪২%

২০০৭ সালের এস এস সি পরীক্ষায় ৪ জন ছাত্র/ছাত্রী A+ ও গোন্ডেন    A+ পেয়ে ৯৭.০৬ % পাস করে কাহালূউপজেলার মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অত্র বিদ্যালয়ের শীর্ষ স্থান লাভ করে  সাউমি কাহালূ কর্তৃক পুরষ্কার প্রfপ্ত হয় ।

বিদ্যালয়ে একটি বড় শহীদ মিনার নির্মান ,একটি স্থায়ী মঞ্চ নির্মান ,একটি বিদ্যালয় ক্যান্টিন নির্মান, রাস্তা সংলগ্ন মসজিদ নির্মানের পরিকল্পনা ,২ তলা ভবনকে উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারন করে ৩ তলা করা, মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়পর্যন্ত সংযোজন করা ।

বগুড়া -নওগাঁ মহা সড়কের বগুড়া থেকে ১০ কি: মি: পশ্চিমে স্থল পথের সকল প্রকার যোগাযোগ সম্ভব

মো: মোস্তাফিজার রহমান , বিমান বাহিনী কর্মকর্তা প্রাক্তন ছাত্র এস এস সি

ডিএম আতিকুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রাক্তন ছাত্রএস এস সি

ডা: মো: মনসুর রহমান মেডিকেল অফিসার প্রাক্তন ছাত্র এস এস সি

মো: আফজাল হোসেন কৃষি অফিসার প্রাক্তন ছাত্র এস এস সি

মো; মোস্তাফিজুর রহমান  শিক্ষক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ প্রাক্তন ছাত্র এস এস সি



Share with :

Facebook Twitter